• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Programme

রাজ্য

পর্যটনে জোর, পূর্ব বর্ধমান জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলি তুলে ধরতে শিবির

পর্যটন শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে একাধিক উদ্যোগ নিচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করতে আধুনিক পরিকাঠামো, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রচারে ঢালাও জোর দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে শুধু রাজস্ব বৃদ্ধিই নয়, বাড়ছে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগও। রাজ্য সরকারের সাথে সাথে জেলা প্রশাসন ও নানা উদ্যোগ নিচ্ছে পর্যটন শিল্পে উৎসাহ দিতে।পর্যটন শিল্পে উৎসাহ দিতে পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন দুদিনের প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করল। বৃহস্পতি ও শুক্রবার জেলার সদরে নিউ কালেক্টর বিল্ডিংর রাসবিহারী সভাকক্ষে এই শিবিরে যোগ দেন পূর্ব বর্ধমান ও পশ্চিম বর্ধমান পর্যটন আধিকারিক ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা। বাংলার পর্যটন মানচিত্রে অবিভক্ত বর্ধমানের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলির প্রচার ও প্রসার করতেই এই আয়োজন বলে জানানো হয়। শিবিরে যোগদান করেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যটন বিভাগের অধ্যাপক মীর আব্দুল শফিক, দিলীপকুমার দাস, পূর্ব বর্ধমান জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) প্রতীক সিং (আইএএস)।দুদিনের শিবিরে পর্যটন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্র ঘিরে সার্কিট ট্যুরিজমের পরিকল্পনা নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়। এছাড়াও বাঁকুড়া, বীরভুম, পশ্চিম বর্ধমান, নদীয়ার মত লাগোয়া জেলাগুলির পর্যটন কেন্দ্রগুলির সঙ্গেও পূর্ব বর্ধমানকে কি ভাবে জোড়া যেতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়। পৌরানিক মত অনুযায়ী সারা দেশের যে সতীর ৫১টি বা ৫২টি মূল শক্তিপীঠের তালিকা পাওয়া যায় তাতে পূর্ব বর্ধমানের একাধিক শক্তিপীঠ আছে। এছাড়াও অম্বিকা কালনা ও বর্ধমান শহরে দুটি ১০৮ শিব মন্দির, বিজয় তোড়ণ (কার্জন গেট), শের আফগান, কুতুবুদ্দিন ও নুরজাহানের সমাধির মতো ঐতিহাসিক স্থানও রয়েছে। অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) প্রতীক সিং বলেন, জেলায় এতিহাসিক গুরুত্বের অনেক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে। সেগুলি সংস্কারে উদ্যোগ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদেরও পর্যটনে শিল্পে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন শিল্পে নতুন জোয়ার এনেছে রাজ্য সরকার ও বেসরকারি উদ্যোগ। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে পাহাড়, সমুদ্র, অরণ্য ও ঐতিহাসিক স্থানের আধুনিকীকরণ থেকে শুরু করে পরিবেশবান্ধব পর্যটনের উপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি রাজ্যের সংস্কৃতি, হস্তশিল্প এবং লোকসংগীতকে বিশ্বের দরবারে তুলে ধরতে নেওয়া হয়েছে একাধিক পদক্ষেপ। পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন জেলার পর্যটন শিল্পকে তুলে ধরতে ইতিমধ্যেই একটি ভিডিও তৈরি করেছে।রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন জানিয়েছেন, পর্যটন শুধু অর্থনীতির চাকা ঘোরায় না, এটি স্থানীয় সংস্কৃতি ও পরিচয়কে তুলে ধরার অন্যতম মাধ্যম। তাই আমরা একাধারে পরিকাঠামো উন্নয়ন এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের যুক্ত করে পর্যটনের প্রসারে কাজ করছি।বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে গাইড প্রশিক্ষণ, হোমস্টে উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব পর্যটনের দিকে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। উত্তরবঙ্গ, সুন্দরবন, দার্জিলিং, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, বীরভুম সর্বত্র পর্যটনের নবজাগরণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. শিবকালি গুপ্ত জনতার কথাকে জানান, পর্যটনের বিকাশ সরাসরি হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, হস্তশিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত বহু মানুষের জীবিকায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে সাহায্য করে। এটা যেমন কিছু মানুষের বিনোদন আবার বহু মানুষের জীবিকাতে বিরাট প্রভাব ফেলে। তিনি আরও জানান, আগে প্রত্যন্ত গ্রামে পর্যটক সেভাবে আসত না, এখন বহু বিদেশি পর্যটকও প্রত্যন্ত গ্রামে ভ্রমন করেন। তাঁরা হস্তশিল্প কিনছেন, খাবার খাচ্ছেন। সাথে গ্রামীন অর্থনীতিতে জোয়াড় আনতে সাহায্য করছেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের জেলায় পর্যটন অকর্ষনের অভাব নেই, জেলাকে ঘিরে আছে তিন তিনটে নদী (দামদর, ভাগীরথী, অজয়)। বিস্তীর্ন বনাঞ্চল, ঐতিহাসিক স্থাপত্য, হস্তশিল্প, লোকশিল্প। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের শম্ভুনাথ কলেজের ভুগোলের অধ্যাপক ড. কুনাল চক্রবর্তী বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার পর্যটন শিল্পে উৎসাহ দিতে নানাবিধ প্রকল্প ঘোষনা করছে। রাজ্য সরকার Experience Bengal ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে। এতে বিভিন্ন সনামধন্য পর্যটন কেন্দ্রের সাথে সাথে বহু গ্রামীন পর্যটন কেন্দ্রেও মানুষের আনাগোনা বেড়েছে। তাঁর মতে পর্যটনের বিকাশ সরাসরি হোটেল, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, হস্তশিল্প ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত বহু মানুষের জীবিকায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তিনি বলেন, এই ধারা বজায় থাকলে আগামী পাঁচ বছরে বাংলার পর্যটন শিল্প দেশের অন্যতম বড় আয়ের উৎস হয়ে উঠবে।

জুন ২৫, ২০২৫
রাজ্য

কয়েকশো মহিলাকে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের পুজোর উপহার প্রদান, মুখপত্র প্রকাশ ও ওয়েবসাইটের সূচনা

বেঙ্গল প্রেস ক্লাব কয়েকশো মহিলাকে পুজোর উপহার প্রদান করলো। রবিবার বিজয় তোরণের সামনে বস্ত্র উপহার কর্মসূচি পালন করে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক খোকন দাস, বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত, বিশিষ্ট সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল প্রমুখ। পুজোর মুখে এই উপহার পেয়ে খুশি মহিলারা।বিধায়ক খোকন দাস বলেন, প্রতি বছর দুর্গাপুজো উপলক্ষ্যে বেঙ্গল প্রেস ক্লাব অসহায় মহিলাদের হাতে বস্ত্র উপহার হিসাবে তুলে দেয়। সারা বছর মানুষের পাশে থাকে সাংবাদিকদের এই সংগঠন। বর্ষমান উন্নয়ন সংস্থার চেয়ারপার্সন কাকলি তা গুপ্ত বস্ত্র উপহার কর্মসূচির প্রশংসা করেন। সমাজসেবী অচিন্ত্য মন্ডল বলেন, বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের জনদরদী কর্মসূচির ভূয়সী প্রসংশা করেন। অনুষ্ঠানে বেঙ্গল প্রেস ক্লাবের মুখপত্র জনমন প্রকাশিত হয়। ক্লাবের নিজস্ব ওয়েবসাইট এদিন যাত্রা শুরু করে। সাধারন মানুষের মধ্যে এই অনুষ্ঠান ঘিরে উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৪
রাজ্য

মহা সমারোহে শুরু দু'দিন ব্যাপী বর্ধমান মডেল স্কুলের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শুক্রবার বর্ধমানের বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল-র বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হল। ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর যথা শুক্র ও শনিবার এই অনুষ্ঠান চলবে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (OAER) র সচিব ও বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল ও ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত।এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার অন্যান্য কলেজের অধ্যক্ষ যথা লিজা ব্যানার্জী (BIMS), ডঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (OIST), সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা (সোসাইটির সদস্য), বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শম্বুনাথ চক্রবর্তী, স্কুল পরিচালন সমিতি-র সদস্যা ডঃ ইন্দ্রানী মুখার্জি ও রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাষ দত্ত। অথিতিদের বরণ করে নেন বর্ধমান মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক (প্রিন্সিপ্যাল) বিপিন বিহারী সিং।সুসজ্জিত মঞ্চওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সচিব তথা বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন সামগ্রিক শিক্ষার কথা। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বই-মুখী পড়াশোনার বাইরেও সমাজ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়, সমাজ যে শিক্ষা দেয় তা চিরস্থায়ী। তিনি জানান, করোনা অতিমারীর কারণে দীর্ঘ দুবছর অপেক্ষার পর এবছর আবার খুব জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সংস্থার বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেসমারাইজ (Mesmerize-2K22) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।নৃত্য পরিবেশনওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন পড়াশোনায় টেকনোলজি-র প্রভাব। তিনি বলেন, আগের প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীরা জানতেই পারতো না যে, সে যে বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে সেই বিষয়ে বিশ্বের সেরা শিক্ষক কে? আজকের ছাত্রদের কাছে সেটা খুবই মামুলি ব্যাপার, সেই শিক্ষক আজ তাদের মুঠোয় বন্দি (Mobile)। তিনি আরও বলেন, টেকনোলজিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করে বাড়িতে বসেই অনেক দূর অবধি যাওয়া যায়। তিনি বেশ কয়েকজন ছাত্রের উদাহরণ টেনে বলেন, তাঁরা এই টেকনলজির সাহায্য নিয়েই (অন লাইন এডুকেশন) এই বছর সারা ভারতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য র্যাঙ্কিং করেছে।রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাস চন্দ্র দত্ত তাঁর বক্তব্যে জানান, বিজ্ঞানমনস্ক না হলে উন্নতি কিছুতেই হবেনা। ছাত্রছাত্রীদের খুব অল্প বয়স থেকেই বিজ্ঞান শিক্ষায় উৎসাহী করে তুলতে হবে। তাঁর কথায়, জীবনের চলার পথে বিজ্ঞানকে আমরা কখনোই অবহেলা করতে পারবো না। এরপর বর্ধমান মডেল স্কুল-র বার্ষিক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধন করেন সম্মানিত অতিথিবর্গ। এছাড়াও স্কুলের ছাত্রদের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য পুরস্কৃত করা হয়।বার্ষীক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধনস্কুলের খুদে বাচ্চা থেকে শুরু করে বড়দের নাচ, গান, নাটক ও আবৃত্তিতে ভরে ওঠে অনুষ্ঠান। অভিভাবক সহ সাধরণ দর্শককুল দারুণভাবে উপভোগ করেন আজকের এই অনুষ্ঠান। বিশেষ করে হিন্দি নাটকে বেড়ালের চরিত্রে ছোট্ট আদিত্য সিং-র অভিনয় দর্শকের মন ছুঁয়ে যায়। এছাড়াও স্কুলের আবৃত্তি শিক্ষিকা সুদেষ্ণা আচার্যের তত্ত্বাবধানে অনুপ্রাণ সমবেত আবৃত্তি এককথায় আসাধরণ। ৪০ জন ছাত্র ছাত্রী সম্বলিত এই প্রয়াস এক কথায় অনবদ্য। একেবারে অনুষ্ঠানের শেষ লগ্নে বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান বার্তা নিয়ে সমগ্র দেশের বিভিন্ন নৃত্য শৈলীর সমন্বয় ঘটিয়ে স্কুলের নৃত্য শিক্ষিকা তুনা রুদ্রের প্রয়াস সত্যিই মেসমারাইজ (Mesmerize)।ছোটদের আবৃত্তিসঙ্গীত বিভাগের দুই শিক্ষক নম্রতা রায় ও সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়-র নিরলস প্রয়াস ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গীত প্রদর্শন এক অন্য মাত্রা পায়। এবছরের মেসমারাইজ-এর (Mesmerize) সবচেয়ে বড় পাওনা ব্যান্ড বিএমএস। স্কুলের এক ঝাঁক ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে তৈরি এই ব্যান্ড মুগ্ধ করে দেয় তাদের উপস্থাপনায়। নম্রতা রায়ের প্রচেষ্টা ও কর্নধার অচিন্ত্য মণ্ডলের উৎসাহে এই ব্যন্ড সত্যিই ব্রান্ড বিএমএস (Brand BMS)উল্লখ্য গতকাল ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তিনদিন ব্যাপি ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-র কলেজ গুলির Mesmerize-2K22 শীর্ষক বার্ষিক সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠান শুভ সূচনা হয়। ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কলকাতার ফকিরা ব্যান্ড গান পরিবেশন করেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২২
কলকাতা

কোভিড আবহে ৭ মিনিটেই শেষ ৪৩ মন্ত্রীর শপথ

তৃতীয়বার পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় তৃণমূল সরকার। নন্দীগ্রাম থেকে কয়েকশো ভোটের ব্যবধানে হেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার নিজের মন্ত্রিসভা সাজিয়ে নেওয়ার পালা। রবিবারই সম্ভাব্য মন্ত্রীদের তালিকা প্রকাশ করেছেন তিনি। ১৬ নতুন মুখ-সহ মোট ৪৩ জন মন্ত্রীর শপথগ্রহণ হল আজ রাজভবনে। নবীন-প্রবীণের সমন্বয়ে তৈরি নয়া মন্ত্রিসভার সঙ্গে বৈঠকে বসবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।করোনা আক্রান্ত ব্রাত্য বসু রয়েছেন আইসোলেশনে। রাজভবনে নয়, ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনি শপথ নেন। একইভাবে শপথ নেস আরও দুই মন্ত্রী অমিত মিত্র, রথীন ঘোষ। অসুস্থতার কারণে এই সিদ্ধান্ত। রাজ্যপাল জগদীর ধনকড় সবাইকে শপথবাক্য পাঠ করান থ্রোন রুমে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজভবনে পৌঁছলে শপথের আগে তাঁকে প্রণাম করে আশীর্বাদ নিলেন বেশ কয়েকজন। কোভিড সকলে মেনে চলো, শপথ নিয়ে কেউ প্রণাম করতে এসো না, বললেন মুখ্যমন্ত্রী।এরপর শপথ অনুষ্ঠান শুরুর আগে শেষ মুহূর্তে আলোচনা সেরে নেন মুখ্যমন্ত্রী, মুখ্যসচিব ও বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর পূর্ণমন্ত্রী, স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদে কে কে শপথ নেবেন, তার তালিকা পড়েন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং প্রতিমন্ত্রীদের একইসঙ্গে শপথ পড়ান রাজ্যপাল। নিজের জায়গায় দাঁড়িয়ে শপথ নিলেন তাঁরা। কোভিড আবহে অতি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান হয় এদিন। এতদিনের রীতি মেনেরাজ্যপালের পাশে দাঁড়িয়ে শপথ গ্রহণ করা হলনা এবার। ৭ মিনিটে ৪৩ জনের শপথ পর্ব শেষ হয়। অনুষ্ঠান শেষে একান্তে কথা বলেন রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রী।

মে ১০, ২০২১
রাজ্য

রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে শুনশান বিশ্বভারতী, ফাঁকা জোড়াসাঁকোও

আজ পঁচিশে বৈশাখ। তবে কোভিড আবহে ফিকে কবি প্রণাম অনুষ্ঠান। প্রতি বছরই রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীতে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কিন্তু এবারের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। বিশ্বভারতীতে বন্ধ রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন।জোড়সাঁকোতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন কলকাতার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। বাইরে থেকে যাঁরা কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানাতে আসছেন, তাঁরা জোড়াসাঁকোর বাইরের মূর্তিতে মাল্যদান করতে পারবেন। কবিগুরুর মূর্তিতে মাল্যদানের পর ফিরহাদ হাকিম বলেন, আমরা বাঙালি। যবে থেকে জ্ঞান এসেছে, তবে থেকেই রবীন্দ্রজয়ন্তী উদযাপন করে এসেছি। যখন খুব ছোটো ছিলাম, তখন বাড়ির ছাদে চার-পাঁচটা ইট দিয়ে বেদি বানিয়ে, পাড়ার দোকান থেকে ছোট্ট ফোটো কিনে রবি পুজো করতাম। তখন বুঝতামও না রবীন্দ্রজয়ন্তী কী! কিন্তু বাঙালি পরিবারে জন্মেছি, ছোট থেকেই এই কাজটা করেছি। তারপর বড় হয়ে রবীন্দ্রজয়ন্তীতে মনে হত উৎসবের দিন। এখন একটা এমন পরিস্থিতি, যেন মানুষ মানুষকে দেখলে ছিটকে যাচ্ছে। রবীন্দ্রনাথ নিয়ে যে উল্লাস, তা এবার নেই।একই ছবি ধরা পড়েছে বিশ্বভারতীতেও। গত বছর থেকেই রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন বিশ্বভারতীর ছবিটা বদলে গিয়েছে, যা মিল খায় না চিরাচরিত ছবির সঙ্গে। রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী পালন করতে পারছেন না বিশ্বভারতীর ছাত্রছাত্রীরা। মন খারাপ তাঁদের। বন্ধ রবীন্দ্রজয়ন্তীর চেনা উদযাপন। শুনশান ক্যাম্পাস, গেটে কড়া পাহারা।বিশ্বভারতীতে কেবল প্রবেশে ছাড় উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী-ছাড়া হাতে গোনা কয়েক জনের। এবারে বন্ধ রয়েছে কবি কন্ঠ শোনানোর সেই রীতিও। করোনার কোপ পঁচিশে বৈশাখের রীতিতেও।

মে ০৯, ২০২১
রাজ্য

বিশ্বভারতীর সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিলেন অমিত শাহ

লাল মাটির বোলপুরে অমিত শাহর কর্মসূচি ঘিরে সাজো সাজো রব। শাহী পোস্টার এবং কাটআউটে ছেয়ে গিয়েছে বোলপুরের চারদিক। বোলপুরে সকালেই পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পৌঁছানোর পর উপাসনা গৃহ ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর সঙ্গীত ভবনে যান শাহ। সঙ্গীত ভবনের পড়ুয়াদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দর্শকাসনে বসে অনুষ্ঠান দেখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহা। শান্তিনিকেতনে ভিজিটর্স বুকে নিজের প্রতিক্রিয়া লেখেন তিনি। সেখান থেকে বাংলাদেশ ভবনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন শাহ। আরও পড়ুন ঃ কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহর, খেলেন কলাপাতায় অমিত শাহ বলেন, আমি এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানালাম। আজ খুব সৌভাগ্যের দিন। জগতকে বাংলার সঙ্গে যুক্ত করতে শান্তিনিকেতন তৈরি করা হয়েছিল। শতবর্ষ উদযাপিত হতে চলেছে বিশ্বভারতীর। তাই এটাই সময় বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি সঙ্গে সকলের পরিচয় ঘটানোর। কদিকে বাঙলি মনন-আবেগকে নাড়া দেওয়া, অন্যদিকে হিন্দুত্বের মোড়কে বিজেপির প্রচার। এই দুয়ের লক্ষ্যে ভোটের আগে এবার বঙ্গ সফরে অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

মেদিনীপুরে হঠাৎই ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির ক্যাম্প পরিদর্শনে মমতা

দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজই সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন স্থানীয়দের সঙ্গে। এদিন রানিগঞ্জের সভামঞ্চে যোগ দিতে যাওয়ার সময় মেদিনীপুর জেলাশাসকের দপ্তরে ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় সেখানে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজ চলছিল। আচমকা রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের উপস্থিতিতে অবাক হয়ে যান সরকারি আধিকারিকরা। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণসংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা কনিষ্ক পন্ডার আদৌ দুয়ারে সরকার প্রকল্পের সুযোগসুবিধা ঠিকমতো সকলে পাচ্ছেন কিনা, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় ক্যাম্পে উপস্থিত বেশিরভাগ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সকলকে বোঝান তিনি। পরিদর্শনের পর ফের রানিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

দিল্লিতে কৃষক আন্দোলন, এবার কলকাতায় পথে তৃণমূল কংগ্রেস

সামনেই বিধানসভা ভোট। তার আগে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অলআউট আক্রমণে ঝাপাতে চলেছে তৃণমূল।আগামী ১১ ডিসেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে তৃণমূলের বঙ্গধ্বনি যাত্রা। ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এই কর্মসূচি। সরকারের কাজের খতিয়ান নিয়ে রাজ্যের সবকটি কেন্দ্রে পথে নামবেন তৃণমূল নেতা-বিধায়করা। রাজ্যের ৪২ হাজার ৬০০ গ্রামে এই কর্মসূচি নিয়ে পৌছে যাবে বিধায়করা। শুক্রবার বৈঠকে এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় পথে নেমে আন্দোলন হবে। আগামী ৮,৯ ও ১০ ডিসেম্বর কৃষি আইনের বিরোধিতায় গান্ধি মূর্তির পাদদেশে অবস্থান করবে তৃণমূল কংগ্রেস কিষাণ ও ক্ষেতমজুর সমিতি। হরিপালের বিধায়ক বেচারাম মান্নাকে তিনদিনের সমাবেশ আয়োজনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১০ তারিখ অবস্থানে উপস্থিত থাকবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন তিনি বক্তৃতা রাখবেন বলে জানিয়েছেন। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যের আবেদন খারিজ, আমফানের দুর্নীতির ঘটনায় তদন্তে ক্যাগই, নির্দেশ হাইকোর্টের এছাড়াও ৬ ডিসেম্বর ব্লকে ব্লকে সংহতি দিবস পালন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর জেলা সদরে বিক্ষোভ দেখাবে কৃষক শ্রমিকরা। এছাড়াও ৭ ডিসেম্বর থেকে জেলা সফর শুরু করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন মেদিনীপুরে জনসভা রয়েছে তাঁর। ৮ ডিসেম্বর রানীগঞ্জে তাঁর সভা রয়েছে। ৯ ডিসেম্বর বনগাঁ, ১৫ ডিসেম্বর জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার বা পার্শ্ববর্তী এলাকায়, ১৬ ডিসেম্বর কোচবিহারে সভা রয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজনীতি

দুয়ারে সরকার কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত বর্ধমান, পথ অবরোধ 

রাজ্যজুড়ে চলছে দুয়ারে সরকার কর্মসূচি। এবার সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শাসকদলের দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল। এই ঘটনায় দুই গোষ্ঠীরই বেশ কয়েকজন জখম হয়। ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমানের লোকো কলোনীতে। জানা গিয়েছে, বর্ধমানের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে দুয়ারে সরকার ক্যাম্প বসেছে। সেখানেই ক্যাম্পের দখলদারি নিয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস ও মহম্মদ সেলিমের অনুগামীদের মধ্যে বিবাদ বেধে যায়। ঘটনার প্রতিবাদে পথ অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ যারা বিজেপির ঝান্ডা খুলেছে, তাদের ঘাড় ধরে দলে নিয়ে আসবঃ দিলীপ তৃণমূল নেতা খোকন দাসের অভিযোগ, এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের নেতৃত্বে তার অনুগামীরা শিবু ঘোষকে মারধর করে। শিবু ঘোষ বৌদি ও স্ত্রীকে নিয়ে বিদ্যাপীঠ স্কুলে স্বাস্থ্যসাথীর কার্ডের জন্য দাঁড়িয়ে ছিল। ওই সময়ে মহম্মদ সেলিম তার দলবল নিয়ে তাকে আক্রমণ করে। মার খাওয়ার এলাকার একটি বাড়িতে শিবু ঘোষ আশ্রয় নেয়। সেখানে ঢুকে মারধর করা হয়। তাদের দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় ও ভাঙচুর করে। তিনি পুলিশকে হুঁশিয়ারি দেন, যদি বিকেলের মধ্যে অভিযুক্তরা গ্রেফতার না হলে তারা থানা ঘেরাও করবেন। পুলিশ প্রশাসন ঠিকমত কাজ করছে না বলে অভিযোগ করেন তিনি। অন্যদিকে প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম বলেন, দুয়ারে সরকার ক্যাম্পে হাজির হয়ে শিবু ঘোষের নেতৃত্বে কয়েকজন দাদাগিরি করছিল। এলাকার বাসিন্দারা প্রতিবাদ করেন। এই নিয়ে প্রথমে বাদানুবাদ হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের তাড়া করলে ছুটে পালাতে গিয়ে কেউ আহত হতে পারে। কেউ তাদের মারধর করেনি। আর ওখানে কোনও তৃণমূলের পার্টি অফিস নাই।

ডিসেম্বর ০৪, ২০২০
রাজ্য

রাজ্যজুড়ে পালিত বিজেপির থানা ঘেরাও কর্মসূচি

নদীয়া জেলায় বিজেপি কার্যকর্তা বিজয় শীলকে হত্যার প্রতিবাদে সোমবার রাজ্যজুড়ে থানা ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপি। মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিজেপি কর্মীরা বিভিন্ন থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। এদিন যাদবপুরে থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে এসে বিজেপি সম্পাদিকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় মন্তব্য করেন, বর্তমান সরকার কানে তুলো গুঁজে আছেন। প্রতিদিন কেন বিজেপি কর্মীকে কেন খুন হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী জবাব দিচ্ছেন না। সাধারণ মানুষ জানতে চাইছে বিরোধী রাজনীতি কি অপরাধ। আমরা বিচার চাই। আরও পড়ুন ঃ দলীয় কর্মীকে খুনের প্রতিবাদে বিজেপির ডাকা বন্ধে মিশ্র প্রভাব কল্যাণীতে অন্যদিকে বিধাননগরে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারকে। তার নেতৃত্বে থানার গেটের সামনে রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। এদিন সল্টলেকের বিধান চন্দ্র রায়ের মূর্তির সামনে থেকে মিছিল করে বিধান নগর উত্তর থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেন বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এদিন বিজেপির পক্ষ থেকে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ডোমজুড়ের নিশ্চিন্দা থানা ঘেরাও করে ৩ নম্বর মণ্ডলের বিজেপি কর্মীরা। এছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি কার্যকর্তাদের হত্যার প্রতিবাদে পুরুলিয়া টাউন থানা ও রঘুনাথগঞ্জ থানা ঘেরাও করে বিজেপি কর্মীরা। মালদা থানা ঘেরাও কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু। অন্যদিকে , এদিন কিংকর মাঝিকে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার এবং যুবনেতা প্রেমাংশু রানা সহ আটজন নিরপরাধ বিজেপি কর্মীর মুক্তির দাবিতে রাজাপুর থানাতে প্রতিনিধিমূলক ডেপুটেশন দেওয়া হয় বিজেপির তরফ থেকে।

নভেম্বর ০২, ২০২০

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে বড় বিস্ফোরণ! ক্ষোভে ফেটে পড়ে সরাসরি ফিফাকে কাঠগড়ায় তুলল ইরান

বিশ্বকাপে টানা তিনটি ম্যাচ ড্র করার পর অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে ইরান। মাঠের ফলাফলের পাশাপাশি এবার ফিফার বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ তুলেছে দলটি। অধিনায়ক মেহদি তারেমি এবং কোচ আমির ঘালেনোইর দাবি, আয়োজনের বিভিন্ন সমস্যার কারণে শুরু থেকেই ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে তাঁদের। সেই পরিস্থিতির প্রভাব দলের পারফরম্যান্সেও পড়েছে বলে অভিযোগ।গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিশরের বিরুদ্ধে এক-এক গোলে ড্র করার পর ড্রেসিংরুমে একটি আবেগঘন বার্তা লিখে রেখে যায় ইরান দল। সেই বার্তায় তারা জানায়, তাদের কাছে ফুটবল শুধু জয়-পরাজয়ের খেলা নয়, সম্মান এবং চরিত্রেরও পরীক্ষা। বার্তায় আরও বলা হয়, পয়েন্ট জেতা সম্ভব, কিন্তু সম্মান অর্জন করা যায় না। স্বচ্ছতা ও মর্যাদা নিয়েই ইতিহাসের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চায় তারা। পাশাপাশি সিয়াটলের আতিথেয়তা এবং সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানানো হয়।এটি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার ড্রেসিংরুমে বার্তা রেখে যাওয়ার ঘটনা। এর আগেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর একই ধরনের বার্তা লিখেছিল ইরান দল।ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মেহদি তারেমি বলেন, এই বিশ্বকাপ তাঁদের কাছে অত্যন্ত হতাশাজনক অভিজ্ঞতা। তাঁর অভিযোগ, শুরু থেকেই বিভিন্ন সমস্যার কথা জানানো হলেও ফিফার পক্ষ থেকে কোনও কার্যকর সমাধান করা হয়নি। এমনকি ফিফার সভাপতি প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।ইরানের অভিযোগ, দলের বেশ কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক কর্মী ভিসা না পাওয়ায় প্রতিযোগিতার সময় দলের সঙ্গে থাকতে পারেননি। এর ফলে ফুটবলারদের যাতায়াত, অনুশীলন এবং শারীরিক পুনরুদ্ধারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে সমস্যা তৈরি হয়। তারেমির দাবি, একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এমন পরিস্থিতি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, যদি কোনও দলকে বিদায় দিতেই হয়, তা মাঠের খেলায় হোক, আয়োজনের সমস্যার কারণে নয়।একই সুরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কোচ আমির ঘালেনোইও। তাঁর অভিযোগ, প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি। যদি দলকে আরও আগে আয়োজক দেশে পৌঁছতে দেওয়া হত, তাহলে ফুটবলাররা শারীরিক ও মানসিকভাবে অনেক ভালো অবস্থায় থাকতেন। ভবিষ্যতে কোনও দলের সঙ্গে এমন পরিস্থিতি যেন না হয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।গ্রুপ পর্ব শেষে ইরানের পরের পর্বে ওঠা এখন অন্য ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফিফার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগও বিশ্ব ফুটবলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি বিজেপি বিধায়ক! অস্ত্রোপচারের পর কী জানালেন পাপিয়া অধিকারী?

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন টালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী। শনিবার তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী একই দিন তাঁর ডান হাতের একটি আঙুলে অস্ত্রোপচার করা হয়। বিধায়কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় হাসপাতালের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তাঁর শারীরিক অবস্থার খবর জানানো হয়েছে।পাপিয়া অধিকারী জানান, তাঁর ডান হাতের মধ্যমা আঙুলে সংক্রমণ হয়েছিল। সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় আঙুল ফুলে যায় এবং তীব্র যন্ত্রণার কারণে হাত নাড়াতেও অসুবিধা হচ্ছিল। চিকিৎসকেরা তাঁকে জানান, দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারত। সেই কারণেই আর দেরি না করে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার চলে।অস্ত্রোপচারের পর নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে পাপিয়া অধিকারী বলেন, তিনি এখন অনেকটাই ভালো আছেন। একই সঙ্গে বাঙুর হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবারও প্রশংসা করেন তিনি। বিধায়কের কথায়, টালিগঞ্জের বাসিন্দা হওয়ায় এই সরকারি হাসপাতাল তাঁর বাড়ির সবচেয়ে কাছের। এখানকার চিকিৎসক, নার্স এবং হাসপাতালের কর্মীরা অত্যন্ত যত্ন নিয়ে তাঁর চিকিৎসা করেছেন। অস্ত্রোপচার কক্ষের পরিষেবা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাও তাঁর ভালো লেগেছে বলে জানান তিনি।পাপিয়া অধিকারীর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের সহকর্মী এবং অনুগামীরা। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই রয়েছেন তিনি। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
দেশ

হঠাৎ কেঁপে উঠল দিল্লি-সহ উত্তর ভারত! আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ, কী জানাল ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা?

শনিবার সন্ধ্যায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। সেই কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয়েছে দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায়। পাশাপাশি পাকিস্তান, চিন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানেও মাটি কেঁপে ওঠে। হঠাৎ কম্পন অনুভূত হওয়ায় বহু মানুষ আতঙ্কে ঘর ও অফিস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর মেলেনি।জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা চার মিনিটে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ছয় দশমিক দুই। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানের কালাফগান এলাকার কাছাকাছি, ভূপৃষ্ঠের প্রায় দুইশো পনেরো কিলোমিটার গভীরে। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পন বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অনুভূত হয়েছে।দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে কম্পন টের পান বাসিন্দারা। অনেকেই নিরাপত্তার জন্য বাড়ি ও অফিস থেকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর জানানো হয়নি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, একই দিনে পাকিস্তানেও সকালে পাঁচ দশমিক পাঁচ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় আবারও সেখানে কম্পন অনুভূত হয়। এ ছাড়া শনিবার সকালে হিমাচল প্রদেশের চাম্বা এলাকায় তিন দশমিক দুই মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প হয়। তবে সেই ঘটনাতেও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এক দিনের মধ্যে পরপর একাধিক ভূমিকম্পের ঘটনায় দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন এবং পরবর্তী আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছেন।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

রিষড়ায় স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীর মর্মান্তিক পরিণতি! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

হুগলির রিষড়ায় এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতার বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃত ব্যক্তি ওই মহিলার স্বামী। এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার সকালে রিষড়ার তিন নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনির একটি ভাড়া বাড়ি থেকে বত্রিশ বছরের মণিকা ওঝার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনার সময় পাশের বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল দম্পতির ছয় বছরের মেয়ে। দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই তাঁরা মহিলার নিথর দেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।প্রতিবেশীদের দাবি, শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসার শব্দ শোনা গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকা দীপঙ্কর সরকার কয়েক দিন আগে বাড়ি ফিরেছিলেন। ঘটনার পর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে তদন্তকারীরা তাঁর সন্ধান শুরু করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, মহিলার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান। পরে তাঁর পরিচয় জানতে গিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি রিষড়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দীপঙ্কর সরকার। এরপর থেকেই দুই ঘটনার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক অশান্তি এই ঘটনার নেপথ্যে থাকতে পারে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে দীপঙ্করের মনে সন্দেহ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যের স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে দম্পতির ছয় বছরের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিবেশীরা। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

২০২১ ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেফতার আউশগ্রাম-২ তৃণমূল সভাপতি ও ছেলে, আদালতে মিলল শর্তসাপেক্ষ জামিন

পাঁচ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা ভোট-পরবর্তী হিংসার মামলায় নতুন মোড়। বিজেপি কর্মীর বাড়ি, দোকানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং পরিবারের সদস্যদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্দুল লালন এবং তাঁর পুত্র শেখ আফজল রহমান ওরফে সঞ্জুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আদালত তাঁদের শর্তসাপেক্ষ জামিন মঞ্জুর করায় আইনি মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোর রাতে কলকাতার গড়ফা থানা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করে আউশগ্রাম থানার অধীন ছোড়া অনুসন্ধান কেন্দ্রের পুলিশ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা এলাকা ছেড়ে কলকাতায় আত্মগোপন করে ছিলেন। তাঁদের বাড়ি আউশগ্রাম থানার গেঁড়াই গ্রামে।এই মামলার সূত্রপাত হয় চলতি বছরের ১৯ মে, যখন আউশগ্রাম থানার ভুঁয়েড়া গ্রামের এক বিজেপি কর্মী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, ২০২১ সালের ৩ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ শেখ আব্দুল লালনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি লাঠি, রডসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট করা হয়। পরিবারের মহিলারা বাধা দিতে গেলে তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু বাড়িই নয়, অভিযোগকারীর বাড়ির পাশেই থাকা কাপড়ের দোকানেও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে। দোকান ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় সাত লক্ষ টাকার মালপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর প্রাণভয়ে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে থাকতে বাধ্য হন অভিযোগকারী। তাঁর আরও দাবি, পরবর্তী সময়েও অভিযুক্তরা এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ বজায় রেখেছিল এবং তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই গত ২৫ মে একই মামলায় ভুঁয়েড়া গ্রামের বাসিন্দা গৌতম আঁকুড়ে নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে শেখ আব্দুল লালন ও তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শেখ আব্দুল লালনের বিরুদ্ধে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে আউশগ্রাম থানায় মোট পাঁচটি পৃথক মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কায় তিনি ও তাঁর ছেলে পূর্ব বর্ধমান জেলা ও দায়রা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে বিচারক অভিযোগের গুরুত্ব, ভোট-পরবর্তী হিংসা, বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি লুট এবং এলাকায় সন্ত্রাসের অভিযোগের কথা উল্লেখ করে সেই আবেদন খারিজ করে দেন।শুক্রবার ধৃতদের বর্ধমানের মুখ্য বিচারবিভাগীয় বিচারকের (সিজেএম) আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে, ধৃতদের আইনজীবী দাবি করেন, গ্রেফতারের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি এবং পূর্বে কোনও নোটিসও দেওয়া হয়নি। সেই যুক্তিতে জামিনের আবেদন করা হয়।উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত পুলিশি হেফাজতের আবেদন খারিজ করে দেয়। একই সঙ্গে সপ্তাহে একদিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা, সাক্ষীদের প্রভাবিত না করা এবং মামলার প্রমাণ নষ্ট না করার শর্তে শেখ আব্দুল লালন ও তাঁর পুত্রকে জামিন মঞ্জুর করা হয়।এদিকে, একই দিনে আউশগ্রামের আরও একটি মামলায় শেখ আব্দুল লালনকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেন তদন্তকারী অফিসার। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মামলার সম্পূর্ণ নথিপত্র আদালতে উপস্থিত না থাকায় ভারপ্রাপ্ত সিজেএম আবেদনটি গ্রহণ না করে নিয়মিত আদালতে উপস্থাপনের নির্দেশ দেন। ফলে ওই মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো সম্ভব হয়নি এবং জামিনে মুক্তি পান তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের গুরুতর অপরাধের অভিযোগে বহু ক্ষেত্রে সিজেএম আদালত পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছে। তাছাড়া জেলা আদালত ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল। সেই পরিস্থিতিতে পুলিশি হেফাজতের আবেদন নাকচ করে জামিন মঞ্জুর হওয়ায় বিচারিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।যদিও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মামলার তদন্ত অব্যাহত থাকবে এবং অভিযুক্তদের নির্ধারিত সমস্ত শর্ত মেনে চলতে হবে। তদন্তের অগ্রগতির উপর নির্ভর করেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা কাণ্ডে ফিরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এবার সরাসরি গ্রেফতারির দাবি কুণালের! বেঁধে দিলেন সময়সীমাও

তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ষোলো। এখনও জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং এর জন্য কার গাফিলতি দায়ী, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এই ঘটনার জেরে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আর সেই আবহেই ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে সরব হলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তারাতলার সংশ্লিষ্ট বহনের নির্মাণ পরিকল্পনার অনুমোদনের নথিতে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, যদি তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি থাকে, তাহলে এখনও কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।কুণাল ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নথি দেখিয়ে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষরের কথা বলেছিলেন। তাই যদি তিনি সত্যিই দোষী হন, তাহলে আইন অনুযায়ী তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। তিনি দাবি করেন, শনিবার বিকেল পাঁচটার মধ্যেই এই পদক্ষেপ করা হোক। পাশাপাশি তিনি বলেন, ওই দিন বিকেলে একটি রাজনৈতিক বৈঠক রয়েছে। সেখানে যদি ফিরহাদ হাকিম কাউন্সিলরদের নিয়ে উপস্থিত হন, তাহলে ধরে নিতে হবে তাঁকে গ্রেফতার করার কোনও সদিচ্ছা নেই।তিনি আরও দাবি করেন, যদি ফিরহাদ হাকিমকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। অন্যদিকে, যদি তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে বোঝা যাবে সরকার সত্যিই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। দলের দাবি, কোনও রাজনৈতিক নেতার পক্ষে গ্রেফতারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার অধিকার নেই।শনিবার সকালে তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, কাউন্সিলর আনোয়ার খান এবং কাউন্সিলর সামস ইকবালের বিরুদ্ধে তারাতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

‘স্যাটা ভাঙা মার’ মন্তব্যেই বিপদ! হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নতুন বিতর্কে তোলপাড়

আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্যাটা ভাঙা মার মন্তব্যের জেরে শনিবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি যুব মোর্চা এবং সামাজিক সংগঠন রাম সীতা সেবা মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির মুখে এমন মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।শুক্রবার রেজিনগরে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বিজেপি সরকার গঠন করেছে, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তবে তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদে পরাজিত হওয়ার পরেও কয়েক জন বিজেপি নেতা অযথা দাপট দেখাচ্ছেন। এরপরই তিনি বলেন, যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তাহলে তিনি মুসলিমদের একজোট করে স্যাটা ভাঙা মার দেবেন। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, সেদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ সুপারের কথাও ভাববেন না। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।হুমায়ুন কবির অতীতেও একাধিক বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য শিরোনামে উঠে এসেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার সময় তাঁর একাধিক মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা হয়েছিল। পরে বিতর্কের জেরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর তিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নওদা এবং রেজিনগর দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন তিনি। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তাঁর ছেলের জন্য।এবারের বিতর্কিত মন্তব্যের পর বিজেপি যুব মোর্চা এবং অভিযোগকারী সংগঠনগুলির দাবি, একজন বিধায়কের এমন বক্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে বহরমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এখন এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

যাঁর নামে কাঁপত বারাবনি, আজ কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরাল পুলিশ! সামনে যা হল, তাতে চাঞ্চল্য

একসময় বারাবনির প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন অসিত সিং। সেই অসিত সিংকে শনিবার খালি পায়ে, হাফপ্যান্ট পরা এবং কোমরে দড়ি বাঁধা অবস্থায় পুলিশের পাহারায় দেখে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গৌরান্ডি এলাকায়। ধৃত নেতাকে সামনে পেতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষ। শুরু হয় বিক্ষোভ, ওঠে কঠোর শাস্তির দাবি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী সভায় হামলার মামলার তদন্তে ধৃত অসিত সিং, তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ সিং এবং সহযোগী আকবর আলমকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই সময়ই বহু মানুষ সেখানে জড়ো হন। ধৃতদের দেখে বিক্ষোভ শুরু হয়। অনেকে চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। অভিযোগ, ধৃতদের লক্ষ্য করে চটি ছোড়া হয়। উত্তেজিত কয়েক জন পুলিশের নিরাপত্তা বলয় ভেঙে ধৃতদের মারার চেষ্টাও করেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই তদন্তের কাজ শেষ করে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়। অভিযোগ, গৌরান্ডিতে শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী সভা ভণ্ডুল করতে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় তাঁর গাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি কর্মীদের মারধর এবং মোটরবাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। সেই মামলার তদন্তেই এদিন ধৃতদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঝাড়খণ্ড সীমান্তের ডুবুরডিহি চেকপোস্ট থেকে অসিত সিং এবং তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ সিংকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময় ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে ধরা হয় আকবর আলমকে। এর আগে অসিত সিংয়ের আর এক ভাই পিন্টু সিংও গ্রেফতার হয়েছিলেন। ফলে এই মামলায় অভিযুক্ত মূল চক্রের প্রায় সকলেই এখন পুলিশের হেফাজতে।স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বারাবনি এলাকায় অসিত সিং এবং তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে দাদাগিরি, অত্যাচার ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। অতীতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। এক সময় তাঁর প্রভাব এতটাই ছিল যে, বারাবনি থানার মধ্যেই জন্মদিন পালন নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার জেরে তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককেও শাস্তির মুখে পড়তে হয়।এবার একসময়ের সেই প্রভাবশালী নেতাকে পুলিশের হেফাজতে দেখে অনেকেই স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুন ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal